শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের ঝিনাইগাতী উপজেলায় নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নামে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। মামলায় ২৪৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৮০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলা দুটির বাদী হিসেবে নাম রয়েছে শালচুড়া গ্রামের আমজাদ এবং ভারুয়া গ্রামের হাসিবুল হাসান শান্ত। গত ১০ ফেব্রুয়ারি তারা মামলা দুটি করেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৮ জানুয়ারি ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলায় শ্রীবরদী উপজেলার পশ্চিম তাঁতীহাটি এলাকার আজহারু ইসলাম মিস্টার (৫০) কে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
এর আগে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী মারজিয়া বেগম বাদী হয়ে শেরপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলকে প্রধান আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীর ২৩১ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয় এবং আরও ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। তবে ওই মামলায় বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলসহ অধিকাংশ নেতাকর্মী উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, আদালত ঝিনাইগাতী থানাকে মামলা নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল ৪ ফেব্রুয়ারি মারা যান। এ কারণে ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।