যুক্তরাষ্ট্র ইরানে স্থল অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে। এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর ইরানের গণমাধ্যম তেহরান টাইমস তাদের প্রথম পাতায় শিরোনাম দিয়েছে “জাহান্নামে স্বাগতম” এবং সতর্ক করেছে, কোনো মার্কিন সেনা যদি ইরানের মাটিতে প্রবেশ করে, তারা ফিরে আসবে কফিনে।
যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত দশ হাজার সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা অঞ্চলে তার সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বারবার বলেছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে সংঘাত এড়াতে শান্তি আলোচনার পক্ষে।
একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের উদ্দেশ্য রাষ্ট্রপতির সামরিক বিকল্পের পরিধি বাড়ানো। ইতিমধ্যে হাজার হাজার প্যারাট্রুপার এবং মেরিন সেনা ওই অঞ্চলে অবস্থান করছে। ইরানি কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র স্থল অভিযান চালায়, তবে তেহরান ইয়েমেনভিত্তিক বিদ্রোহীদের সক্রিয় করতে পারে। এই বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে হামলা চালাতে পারে, যা যুদ্ধের নতুন ফ্রন্ট খুলে দেবে।
যদিও রাষ্ট্রপতি স্থলযুদ্ধে সেনা পাঠানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেননি। মোতায়েনকৃত সেনারা সম্ভবত ইরান ও তার গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের কাছাকাছি অবস্থান নেবে। একই সময়ে, ইসরাইলের সামরিক বাহিনী তেহরানের কেন্দ্রে সন্ত্রাসী শাসনের অবকাঠামোর ওপর হামলা চালিয়েছে এবং বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলেও হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।