জুনিয়র বৃত্তি পাচ্ছে ৪৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী, ফল প্রকাশ চলতি সপ্তাহে
চলতি বছর জুনিয়র বৃত্তি পাচ্ছে মোট ৪৫ হাজার ২০০ জন শিক্ষার্থী। চলতি সপ্তাহেই বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
মাউশির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন উইংয়ের সহকারী পরিচালক কামরুন নাহার গণমাধ্যমকে জানান, আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে।
এবার ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—দুই ক্যাটাগরিতে বোর্ডভিত্তিক কোটা অনুযায়ী বৃত্তি প্রদান করা হবে। মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বছরে এককালীন ৫৬০ টাকা এবং মাসে ৪৫০ টাকা করে পাবেন। আর সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা বছরে ৩৫০ টাকা এবং মাসে ৩০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। এই বৃত্তি সুবিধা টানা দুই বছর দেওয়া হবে।
এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৫ সালে অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৬০ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেয়। বর্তমানে ফল প্রস্তুতের কাজ করছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
বোর্ডভিত্তিক বৃত্তি বণ্টন
বোর্ডভিত্তিক কোটা অনুযায়ী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা—
ঢাকা বোর্ড: মেধাবৃত্তি ৩,৬৩৫ জন, সাধারণ বৃত্তি ৭,৭৯০ জন
ময়মনসিংহ বোর্ড: মেধাবৃত্তি ৯৬৭ জন, সাধারণ বৃত্তি ২,০৭৩ জন
রাজশাহী বোর্ড: মেধাবৃত্তি ১,৯২৬ জন, সাধারণ বৃত্তি ৪,১২৮ জন
কুমিল্লা বোর্ড: মেধাবৃত্তি ১,৬৭৭ জন, সাধারণ বৃত্তি ৩,৫৯৩ জন
সিলেট বোর্ড: মেধাবৃত্তি ৯৪৮ জন, সাধারণ বৃত্তি ২,০৩০ জন
বরিশাল বোর্ড: মেধাবৃত্তি ৮৭৩ জন, সাধারণ বৃত্তি ১,৮৭১ জন
যশোর বোর্ড: মেধাবৃত্তি ১,৬৬২ জন, সাধারণ বৃত্তি ৩,৫৬১ জন
চট্টগ্রাম বোর্ড: মেধাবৃত্তি ১,২১০ জন, সাধারণ বৃত্তি ২,৫৯৩ জন
দিনাজপুর বোর্ড: মেধাবৃত্তি ১,৮০২ জন, সাধারণ বৃত্তি ৩,৮৬১ জন
এবার অষ্টম শ্রেণির বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়-এই পাঁচ বিষয়ে বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। মোট ৪০০ নম্বরের পরীক্ষায় বাংলায় ১০০, ইংরেজিতে ১০০, গণিতে ১০০ এবং বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে বরাদ্দ ছিল। প্রতিটি পরীক্ষার সময়কাল ছিল ৩ ঘণ্টা।