সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির সম্ভাব্য নেত্রীদের দৌড়ঝাঁপ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করার পর সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দলটি ৩৫টি আসন পাবে। নির্বাচন কমিশনের তফশিল অনুযায়ী দলীয় মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। ইতিমধ্যে শতাধিক নেত্রী মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। দলের অভ্যন্তরে কে কোন আসনে মনোনয়ন পাবেন তা নিয়ে চলছে তীব্র আলোচনা। শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন প্রার্থীরা এবং অনেকেই ঢাকায় অবস্থান করছেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলের হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে।
সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে এসব আসন বণ্টন করা হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও সংরক্ষিত নারী আসনে বসার সুযোগ পাবেন।
বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আকতার জাহান শিরিন, কেন্দ্রীয় নেত্রী শিরিন সুলতানা, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবী সহ একাধিক নেত্রী এই আসনে আলোচনায় রয়েছেন। এছাড়া কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনিন, রিজিয়া পারভিন, কনক চাঁপা এবং ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুর নামও সম্ভাব্য তালিকায় আছে।
চট্টগ্রামে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি এবং সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী। দীর্ঘ প্রতিকূলতার মধ্যেও চট্টগ্রামে সক্রিয় নারী নেতৃত্ব হিসেবে তারা নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত।
বিএনপির বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আকতার জাহান শিরিন বলেন, “ছাত্রদল দিয়ে রাজনীতি শুরু করেছি। বহু প্রতিকূলতা পেরিয়েছি। দলের জন্য জেল-জুলুম সহ নানাভাবে নির্যাতন ভোগ করেছি। এখন দল যদি আমাকে উপযুক্ত মনে করে, আমি সিদ্ধান্ত মেনে নেব। আশা করি চেয়ারম্যান সবাইকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করবেন।”
দলের স্থায়ী কমিটির এক সদস্য জানান, ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দৌড়ঝাঁপ চলছে। এবার বিশেষভাবে তরুণ নেত্রীদের মূল্যায়নের সম্ভাবনা বেড়েছে। চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণার দিকেই এখন দলের নজর।