ব্রাজিলকে বিদায় করে হালান্ড: গোল করার ক্ষমতা সৃষ্টিকর্তার উপহার
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত গোল করার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আরলিং হালান্ড। শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে দলকে ঐতিহাসিক জয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার পর নিজের গোল করার সামর্থ্যকে সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দীর্ঘ সময় গোলশূন্য থাকার পর ৭৮তম মিনিটে হেড থেকে নরওয়েকে এগিয়ে দেন হালান্ড। এরপর নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে আরও একটি গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ড। তাঁর দুই গোলেই ২-০ ব্যবধানে জিতে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় নরওয়ে।
ম্যাচের বড় একটি সময় ব্রাজিলের রক্ষণভাগের বিপক্ষে খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারেননি হালান্ড। তবে শেষদিকে পাওয়া অল্প কয়েকটি সুযোগই নিখুঁতভাবে কাজে লাগিয়ে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন তিনি। সুযোগকে গোলে রূপ দেওয়ার এই অসাধারণ দক্ষতাই তাঁকে বিশ্বের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার হিসেবে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
ম্যাচ শেষে নিজের গোল করার সক্ষমতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে হালান্ড বলেন, দুই-একটি সুযোগ পেলেই সেগুলো কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন তিনি। কীভাবে বারবার এমনটা সম্ভব হয়, সেটির নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা তাঁর কাছেও নেই। তবে পুরো ম্যাচজুড়ে মনোযোগ ধরে রেখে সুযোগের অপেক্ষায় থাকাই তাঁর মূল লক্ষ্য বলে জানান এই নরওয়েজিয়ান তারকা। তিনি আরও বলেন, গোল করার ক্ষমতাকে তিনি সৃষ্টিকর্তার দেওয়া বিশেষ উপহার হিসেবে দেখেন এবং প্রতিবার জালের দেখা পাওয়া তাঁর কাছে বিস্ময়কর অনুভূতি।
চলতি বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও শীর্ষ সারিতে রয়েছেন হালান্ড। এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে সাত গোল করেছেন তিনি। একই সংখ্যক গোল রয়েছে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পেরও। চার ম্যাচের মধ্যে তিনটিতেই জোড়া গোল করেছেন নরওয়ের এই ফরোয়ার্ড, আর বাকি এক ম্যাচে করেছেন একটি গোল। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ফ্রান্সের বিপক্ষে বিশ্রামে থাকায় সেই ম্যাচে মাঠে নামেননি তিনি।