‘সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র এখনো ব্যবহার করিনি’, ইরানের হুঁশিয়ারি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলমান সংঘাতকে তারা ‘চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ’ হিসেবে বিবেচনা করছে এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার পূর্ণ সক্ষমতা তাদের রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাই-নিক বলেন, যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়েই সব ধরনের উন্নত অস্ত্র ব্যবহার করা হয় না। প্রয়োজন হলে আরও শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করা হবে। তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, ইরানের উন্নত অস্ত্রভাণ্ডারের একটি অংশ এখনো ব্যবহৃত হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, এ বক্তব্য প্রতিপক্ষকে সতর্ক করার কৌশলগত বার্তা। একই সঙ্গে এটি অভ্যন্তরীণভাবে শক্ত অবস্থানেরও ইঙ্গিত বহন করে।
অন্যদিকে ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ভিন্ন দাবি তুলেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। সংস্থাটির প্রধান জেনারেল কুপারের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–এর হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইতিমধ্যে ৫০০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজারের বেশি ড্রোন উৎক্ষেপণ করেছে। তার দাবি, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ব্যবহারের ফলে ইরানের পাল্টা হামলার সক্ষমতা চাপের মুখে পড়েছে। যদিও এ বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে সরাসরি কোনো স্বীকারোক্তি আসেনি।
পর্যবেক্ষকদের মতে, সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি তথ্যযুদ্ধও সমানতালে চলছে। পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে আঞ্চলিক পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা জোরদার হচ্ছে।