গণপরিবহন ও দূরপাল্লার বাসের জন্য জ্বালানি তেলের রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শনিবার রাত থেকেই বাসগুলো পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল পাবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, দূরপাল্লা ও গণপরিবহনের ক্ষেত্রে তেলের যে সীমাবদ্ধতা ছিল, তা আজ রাত থেকেই আর থাকছে না। ফলে বাসগুলো স্বাভাবিকভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। এর প্রেক্ষাপটে দেশে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি সামাল দিতে গত ৬ মার্চ ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহে সীমা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
সেই নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ দুই লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়ার সুযোগ ছিল। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে দৈনিক সর্বোচ্চ ১০ লিটার তেল নেওয়া যেত। এছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাসে দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল সরবরাহ করা হচ্ছিল। পিকআপ বা স্থানীয় বাসগুলো ডিজেল পেত ৭০ থেকে ৮০ লিটার পর্যন্ত।
অন্যদিকে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাক প্রতিদিন ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি নিতে পারত।
তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গণপরিবহনের ক্ষেত্রে তেলের রেশনিং তুলে নেওয়া হলেও ব্যক্তিগত যানবাহনের জন্য আগের নির্দেশনা এখনও বহাল রয়েছে। এ বিষয়ে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত এখনো জানানো হয়নি।