শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ সংসদীয় আসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ দেন। এর ফলে আগামীকাল সোমবার থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুটি আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিটি আসনে তিনজন করে প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এই আসনের সাধারণ নির্বাচনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন।
এই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক রুবেল ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক। এছাড়া বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী কাঁচি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে বগুড়া-৬ সংসদীয় আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম জানান, এই আসনের উপ-নির্বাচনেও তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং তাদের মধ্যেও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. রেজাউল করিম বাদশা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. আবিদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির এক প্রার্থী ফুলকপি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জয়ী হন। তবে একই সঙ্গে দুটি আসনের সংসদ সদস্য থাকা সম্ভব না হওয়ায় তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। পরে নির্বাচন কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচন এবং বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে আগামী ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।