য়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর)। বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীদের আজই রিটার্নিং অথবা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে।
ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, গত ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার পর থেকে রবিবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৭৮০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তবে একই সময় পর্যন্ত মাত্র ৩১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। শেষ দিনে এ সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে আশা করছে নির্বাচন কমিশন।
গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
এরপর ১৮ ডিসেম্বর তফসিল সংক্রান্ত একটি সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন। সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় দুই দিন কমানো হয় এবং আপিল নিষ্পত্তির সময় দুই দিন বাড়ানো হয়।
ইসির প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের অধীনে সংসদ গঠনের লক্ষ্যে সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ গঠনের উদ্দেশ্যে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে একজন সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোটারদের আহ্বান জানানো হচ্ছে এবং সে লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। বাছাইয়ে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি এবং ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সঙ্গে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।
নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।