চোখের কালি দূর করবে আলু নাকি শসা? জেনে নিন কার্যকর সমাধান
দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোন, কম্পিউটার বা ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার কারণে বর্তমানে চোখের ক্লান্তি, ফোলাভাব এবং চোখের নিচে কালো দাগের সমস্যা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। এসব সমস্যা থেকে সাময়িক স্বস্তি পেতে অনেকেই ঘরোয়া উপায় হিসেবে আলু ও শসার ব্যবহার করে থাকেন। তবে প্রশ্ন হলো, কোনটি আসলে বেশি উপকারী? বিশেষজ্ঞদের মতে, আলু ও শসা-দুটিরই আলাদা আলাদা উপকারিতা রয়েছে। তাই কোনটি ব্যবহার করবেন, তা নির্ভর করে সমস্যার ধরন ও প্রয়োজনের ওপর।
চোখের ক্লান্তি ও জ্বালাপোড়ায় শসা
শসায় প্রচুর পানি ও প্রাকৃতিক শীতল উপাদান থাকায় এটি চোখের জন্য দ্রুত আরামদায়ক অনুভূতি তৈরি করতে পারে। দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহারের পর চোখে যে ক্লান্তি, ভারীভাব বা অস্বস্তি দেখা দেয়, শসা তা কমাতে সহায়ক হতে পারে। এছাড়া চোখের চারপাশের ফোলাভাব কমাতেও শসার ব্যবহার জনপ্রিয়।
ডার্ক সার্কেল কমাতে আলু
চোখের নিচের কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল কমানোর ক্ষেত্রে আলুকে তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর মনে করা হয়। আলুতে থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। নিয়মিত ব্যবহারে চোখের নিচের ত্বক কিছুটা সতেজ ও উজ্জ্বল দেখাতে পারে।
ফোলাভাব কমাতে দুটিই উপকারী
চোখের নিচে হালকা ফোলাভাব বা স্ফীতি থাকলে আলু ও শসা-উভয়ই কিছুটা উপকার দিতে পারে। তবে তাৎক্ষণিক শীতলতা এবং সতেজ অনুভূতির জন্য অধিকাংশ মানুষ শসাকেই বেশি কার্যকর বলে মনে করেন।
কোনটি বেছে নেবেন?
যাদের প্রধান সমস্যা চোখের ক্লান্তি, জ্বালাপোড়া বা ফোলাভাব, তাদের জন্য শসা হতে পারে উপযুক্ত সমাধান। অন্যদিকে চোখের নিচের কালো দাগ কমাতে চাইলে আলুর ব্যবহার বেশি উপকারী হতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, শুধু ঘরোয়া উপায়ের ওপর নির্ভর করলে দীর্ঘমেয়াদে কাঙ্ক্ষিত ফল নাও মিলতে পারে। চোখের সুস্থতা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি পান এবং স্ক্রিন ব্যবহারে সচেতনতা জরুরি।