স্বাগতিক দেশের মাঠে উয়েফা নেশনস লিগে ক্রোয়েশিয়াকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে ইংল্যান্ড। কোচ থমাস টুখেলের অধীনে শুরু থেকেই দাপট দেখানো ইংলিশরা ম্যাচজুড়ে একতরফা আধিপত্য ধরে রেখে বড় জয় তুলে নেয় তারা।
উয়েফার নিষেধাজ্ঞার কারণে ম্যাচটি দেখতে স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিল শুধু শিশু-কিশোর দর্শকরা। তবে ইংল্যান্ডের একের পর এক গোলে শুরুতে সরব থাকা গ্যালারি দ্রুতই নীরব হয়ে যায়।
ম্যাচের মাত্র ৮ মিনিটেই এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। জাতীয় দলের হয়ে ১২৪তম ম্যাচ খেলতে নামা অধিনায়ক হ্যারি কেইন দারুণ এক চিপ শটে গোল করেন।
দ্বিতীয় গোলটি আসে চমৎকার দলীয় সমন্বয়ে। ২৭টি পাসের পর আক্রমণটি শেষ করেন জুড বেলিংহাম। মাঝমাঠে ক্রোয়েশিয়ার অভিজ্ঞ তারকা লুকা মদরিচকে ছাপিয়ে পুরো ম্যাচে অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ দেখান রিয়াল মাদ্রিদের এই মিডফিল্ডার।
এরপর জ্যারেড কোয়ানসার ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে ব্যবধান ৩-০ করেন অ্যান্থনি গর্ডন। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই বেলিংহামের তৈরি করে দেওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে চতুর্থ গোলটি করেন বুকায়ো সাকা।
৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার কমেনি ইংলিশদের। অ্যান্ডারসনের দূরপাল্লার ক্রস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান ৫-০ করেন কেইন। এরপর ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্ডার জসিপ স্টানিসিচের ভুল পাসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঠান্ডা মাথায় গোল করে সাকা ইংল্যান্ডকে ৬-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
ম্যাচের শেষদিকে তরুণ খেলোয়াড়দের মাঠে নামান টুখেল। যোগ করা সময়ে বেলিংহামের নিখুঁত পাস পেয়ে গোলরক্ষককে কাটিয়ে ফাঁকা জালে বল পাঠান অ্যাস্টন ভিলার ফরোয়ার্ড মরগান রজার্স। তাতে ইংল্যান্ডের জয় পায় ৭-০ ব্যবধানে।
এই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ইংল্যান্ড। মুখোমুখি লড়াইয়ের সমীকরণে শীর্ষে রয়েছে স্পেন। অন্যদিকে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে অবস্থান করছে ক্রোয়েশিয়া।