র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) আভিযানিক সক্ষমতা বাড়াতে ১৬৩টি নতুন যানবাহন কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এসব গাড়ি কিনতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১২২ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রস্তাবটি উপস্থাপন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, র্যাবের জন্য ৩টি জিপ, ১০০টি টহল পিকআপ ও ৬০টি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত মাইক্রোবাস কেনা হবে। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এসব যানবাহন সরবরাহ করবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রতিটি জিপ হবে ২ হাজার ৫০০ সিসির এবং একেকটির সম্ভাব্য মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা। এছাড়া প্যাট্রল জিপের বাজারমূল্য প্রায় ৬৪ লাখ এবং মাইক্রোবাসের মূল্য প্রায় ৪৮ লাখ টাকা।
উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ একটি পরিপত্র জারি করে সব ধরনের যানবাহন কেনা স্থগিত রাখার নির্দেশনা দিয়েছিল। তবে তার আগেই গত ২৬ জানুয়ারি তৎকালীন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ ক্রয়ের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
‘র্যাব ফোর্সেসের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এসব গাড়ি কেনা হবে। প্রকল্পটি প্রথম নেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালে। শুরুতে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৩৪ কোটি টাকা। পরে ব্যয় কমিয়ে সংশোধিত প্রকল্পমূল্য নির্ধারণ করা হয় ৮২৭ কোটি টাকা।
প্রকল্পের আওতায় মোট ১ হাজার ৫৭০টি যানবাহন ও ১৩১টি সরঞ্জাম কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৮০৯টি যানবাহন ও ১০১টি সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হয়েছে।