হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার প্রভাবে জেট ফুয়েলের সরবরাহে চাপ বাড়ছে, যা দ্রুতই বৈশ্বিক বিমান খাতে সংকট তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছে International Air Transport Association। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই প্রভাব সবচেয়ে আগে পড়তে পারে এশিয়ায়, এরপর ইউরোপ ও আফ্রিকায়।
আইএটিএর প্রধান Willie Walsh বলেন, উত্তর গোলার্ধের গ্রীষ্মকালীন ব্যস্ত ভ্রমণ মৌসুম সামনে রেখে জেট ফুয়েলের সম্ভাব্য ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তবে তার মতে, পরিস্থিতি করোনা মহামারির সময়ের মতো গুরুতর নয়, কারণ এখনো বিমান ভ্রমণের চাহিদা শক্তিশালী রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানির বাড়তি ব্যয় দীর্ঘমেয়াদে এয়ারলাইনগুলোর পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। ফলে এই অতিরিক্ত খরচ যাত্রীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হতে পারে, যার কারণে বিমান ভাড়া বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আইএটিএ সতর্ক করে জানিয়েছে, জ্বালানি সংকট তীব্র হলে এশিয়া ও ইউরোপে রেশনিং চালু হতে পারে, যা কিছু ফ্লাইট বাতিলের কারণ হতে পারে। এতে বৈশ্বিক বিমান চলাচলেও চাপ বাড়বে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ মৌসুমের আগে জেট ফুয়েল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে আন্তর্জাতিক বিমান শিল্প নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। তবে হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক হলে বা বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে পারে।