ভারতের দিল্লিতে জন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে বাতিল করার এক দিন পর মঙ্গলবার সকালে সেখানে ঢুকে প্রতিবাদ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাকর্মীরা। পরে তাঁদের আটক করে দিল্লি পুলিশ।
দলটির নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের নেতৃত্বে কয়েকজন কর্মী লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে জন্তর মন্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পুলিশের বাধার মুখে পড়লেও তাঁরা বিক্ষোভ চালিয়ে যান।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বিক্ষোভের ভিডিও প্রকাশ করে বলেন, জন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দিলেও প্রতিবাদ থামানো যাবে না। তাঁর দাবি, দেশের বিভিন্ন জায়গায় এখন নতুন নতুন ‘জন্তর মন্তর’ গড়ে উঠবে।
জন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে বাতিলের পর দিল্লিতে প্রতিবাদ ও অবস্থান কর্মসূচির জন্য তিনটি নতুন স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি ময়দান।
বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে বিতর্কের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ ও সিজেপির বিক্ষোভের পর দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। গত ১০ অক্টোবর থেকে জন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে পুলিশ। ওই দিন দিল্লিতে পৌঁছানোর পর সিজেপির শীর্ষ নেতা দিপকে, দাস ও রাঙ্কাকেও তাঁদের উড়োজাহাজের ভেতর থেকে আটক করা হয়েছিল। শনিবার ও রোববার দিল্লির বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও পুলিশের অভিযানে কয়েক হাজার মানুষ আটক হন।