চট্টগ্রাম মহানগরী ও আশপাশের জেলাগুলোতে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি থেকে শুরু করে রাস্তায় রিকশাচালক—বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অপরাধীদের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছেন। এসব ঘটনায় টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান সামগ্রী লুটের পাশাপাশি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরী ও চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৩৮৯টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ডাকাতির ১১০টি এবং ছিনতাইয়ের ২৭৯টি মামলা। গত ১০ অক্টোবর মিরসরাইয়ে অবসরপ্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার মো. মতিন উল্লাহর বাড়িতে ডাকাতি করে প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়। এ ঘটনায় আন্তজেলা ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরদিন সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জহুরুল আলম চৌধুরীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার ও সাত লাখ টাকা লুটের অভিযোগ ওঠে।
তথ্যসূত্র: বাংলানিউজ
এ ছাড়া হাটহাজারীতে এক রিকশাচালককে হত্যার পর তাঁর রিকশা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ এবং আনোয়ারায় একটি ডেইরি ফার্মে ডাকাতির ঘটনাও ঘটেছে। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের দাবি, জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির মামলায় ৯০ শতাংশের বেশি আসামিকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে একের পর এক অপরাধের ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে।